১. কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের সময় মেধার জোরে,টাকার জোরে,স্থানীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে যার যার মত নিয়োগ পেয়েছেন,,
সরকারিভাবে নিয়োগ শুরু হলে
২. প্রথম গণ বিজ্ঞপ্তির সময় মেধাবীদের চাকরি হয়,,দ্বিতীয় গণ বিজ্ঞপ্তিতে ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের আবেদনের সুযোগ থাকায় তারাই আবার আবেদন করে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে, যার ফলে শূন্য পদ শূন্যই থেকে যায়।।একইভাবে
৩. তৃতীয় গণ বিজ্ঞপ্তিতেও ঐ মেধাবীরাই আবার আবেদনের সুযোগ পায়।কিন্তু ---
৪. চতুর্থ গণ বিজ্ঞপ্তিতে ইনডেক্সধারীদের আবেদনের সুযোগ বন্ধ করে দেয়ার ফলে একটা বিরাট সংখ্যক পদ শূন্য হয়।এসময় ৩৫+ নিবন্ধনধারীদের আবেদনের সুযোগ বন্ধ করে দিলে কয়েক লক্ষ শিক্ষক পদে শুধু পাস মার্ক ৪০ বা সামান্য বেশি নম্বরধারীদের এই চাকরির সুযোগ হয়।।অথচ ৩৫+ মেধাবী যাদের ৫০-৭০/৮০ নম্বর থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাননি।।
যেহেতু যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষায় তারা উত্তীর্ণ সুতরাং তাদের বঞ্চিত করা অমানবিক।
এদিকে ২৭তম বিসিএসে নিয়োগ বঞ্চিতরা যদি বিনা পরীক্ষায় চাকরি পেতে পারেন তাহলে ১ থেকে ১২তমরা অবশ্যই চাকরি পাওয়ার অধিকার রাখেন।।