আমার প্রান প্রিয় দক্ষিন দিঘলদী ইউনিয়নবাসী,আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি। আমরা

আমার প্রান প্রিয় দক্ষিন দিঘলদী ইউনিয়নবাসী,আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি। আমরা

ইউনিয়বাসী আজ খুব অসহায়, ইউনিয়নবাসী জিম্মি হয়ে আছি তিন চারটা কৃমিনালের কাছে,কিন্তু আর কতদিন জিম্মি হয়ে থাকব আমরা। আমরা এর প্রতিকার চাই। আমরা ইউনিয়নবাসী এদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে মুক্তি পেতে চাই। প্রিয় ইউনিয়নবাসী আপনারা আমার কথাগুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন। একটু খেয়াল করে দেখুন গত এক যুগেরও বেশি হয়ে গেছে – ইসমাইল কাজী দক্ষিন দিঘলদী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং হারুন দেওয়ান ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে আছে। কিন্তু তাদেরকে আমরা কখনো ইউনিয়নে কারো কোনো সুখে দুঃখে খুজে পাই নাই,তাদের ছায়া পর্যন্ত ইউনিয়নের উপর পড়ে নাই। ইউনিয়নবাসী খুব সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করতে ছিলাম। কিন্তু যখনই এই কৃমিনালগুলো ইউনিয়নে ঢোকা শুরু করেছে তখন থেকে ইউনিয়নবাসীর ঘুম হারাম হয়ে গেল তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কারণে। আমি গতকালের একটি উদাহরণ দেই- দেখেন নোমান চেয়ারম্যান পাঁচ বছর চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় ইউনিয়নে কখনো কেউ সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজি,লুটতরাজ,চুরি,ডাকাতি করতে পারে নাই,গত ৫ই আগষ্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর তারা আবারো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালু করে দেয় কিন্তু নোমান চেয়ারম্যান তার সৎ সাহসিকতার দ্বারা তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপগুলোকে প্রতিহত করতে থাকে। তাই তারা চাঁদাবাজি,দখলদারিত্ব,লুটতরাজ করতে না পারার কারণে নোমান চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। সেই সুযোগটাই তারা গতকাল বটতলা বাজারে কাজে লাগায়। ছোট একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে নোমান চেয়ারম্যান এবং নোমান চেয়ারম্যান এর লোকজনের উপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং বিএনপির অফিস ভাংচুর ও লুটতরাজ করে। আমি এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং জেলা বিএনপির নেতাদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, অবিলম্বে ইউনিয়ন বিএনপির সকল কমিটিকে ভেঙে দেওয়া হোক এবং তাদের ( হারুন দেওয়ান,ইসমাইল কাজী,রফিক খান,উজ্জল সরদার,ওহিদ রাড়ি,) কে দল থেকে বহিষ্কার করা হোক।
প্রোচারে দক্ষিন দিঘলদী ইউনিয়ন বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠন।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *