মসজিদ মার্কেটের একটা ঘরে মেডিসিন এর ব্যাবসা করতেন।এই ঘরটা মসজিদের কাছ থেকে লটারির মাধ্যমে পেয়েছিলো কাচা বাজারের ভিতরের আব্দুর রব মাওলানার ছেলে আব্দুল হাই,এই আব্দুল হাইয়ের কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছিলো কথিত ডাক্তার মনোরঞ্জন।পরবর্তীতে যখন মসজিদ কমিটি সিদ্ধান্ত নিলো যে কেউ মসজিদের ঘর ভাড়া দিয়ে খেতে পারবে না যে যে দখলে আছে তাদেরকেই ডিট দেওয়া হবে তখন এই মনোরঞ্জন নিজের নামে ডিট করে নেয়,যদিও প্রচার আছে যে এই মনোরঞ্জন তোফায়েল আহাম্মদ এর ভাগিনা শাহাজল দারোগাকে বাসায় নিয়ে খুশি করে আব্দুল হাই এর এই ঘর নিজের নামে করে নিয়েছেন।সমস্যা নাই যাই হোক মসজিদ তার ন্যায্য ভাড়াটা পেলেই হবে কিন্তু এখন আসল কথা হচ্ছে এই মনোরঞ্জনের কাছ থেকে মেডিসিন কোম্পানির অনেক লোক লক্ষ লক্ষ টাকা পায়।মনোরঞ্জন সেই টাকা না দিয়ে মসজিদের এই ঘরের পজেশনটি অতি গোপনে রাতের আধারে সর্নকার গোপাল গোলদারের কাছে ২৭ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়ে সীমানা পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে গিয়েছেন।এখন পাওনাদার দের এই টাকা কে দিবে???গোপাল গোলদার যে জেনে শুনে মসজিদের ঘরটি ২৭ লক্ষ টাকার বিনিময়ে খরিদ করেছেন তিনি কি এখন দিবেন পাওনাদার দের টাকা।সকল পাওনাদার এর উচিত এই দোকানটিতে তালা মারা………..এখন আবার মসজিদ কমিটির কিছু লোক পায়তারা করিতেছে ২৭ লক্ষ কে ১৫ লক্ষ দেখিয়ে গোপালের নামে ডিট করে দিতে।সাধু সাবধান,সময় থাকতে ভালো হয়ে যান।