
এটি কক্সবাজার সদরের মমতাজুল ইসলামের গল্প। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনি। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে তার সংসার। সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে একটি ছোট্ট ঝাল-নাস্তার দোকান শুরু করলেও পুঁজির অভাবে থমকে দাঁড়ায় ব্যবসা, দোকানের ভাড়া বাকি হয়ে গিয়েছিল অনেক মাসের। দোকান প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত অবস্থায় চলে গিয়েছিল । ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন তিনি।
ঠিক তখনি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প-২৪ এর আওতায় তাকে ৩০ হাজার টাকা পুঁজি দেয়া হয় । ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখে মমতাজুল ইসলাম। এখন প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭ হাজার টাকা বেচা-বিক্রি করেন তিনি। এক সময় যে দোকান চালাতে হিমশিম খেতেন, এখন সেই দোকানে কর্মসংস্থান হয়েছে আরও তিনজনের। কারিগরকে প্রতিদিন ৮০০ টাকা করে মজুরি দিতে পারেন, আর দুইজন কর্মচারীকে মাসিক ৩ হাজার টাকা বেতন দিচ্ছেন।
এখন মমতাজুল ইসলামের আয় দিয়েই সন্তানদের পড়াশোনার খরচ নির্বাহ হচ্ছে, সংসারেও ফিরেছে স্বচ্ছলতা। একসময় যে মানুষটি ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় দিন কাটাতেন, আজ তিনি স্বাবলম্বী। স্বাবলম্বী হওয়ার এই গল্প কেবল তার একার নয়, বরং তার পরিবারের এবং সেই তিনজন কর্মচারীরও, যারা তার পাশে থেকে নতুন এক স্বপ্নের অংশীদার হয়েছেন।