আমাদের অনেকেরই সুপরিচিত ভোলা সদরের আমজাদ মমিন সাম্প্রতিক তার পেজে ভোলা শহরে ডায়াগনস্টিক ব্যবসা নিয়ে একটি অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন। তার ফেসবুক থেকে তার মন্তব্য কে হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো।
যারা যারা ভোলা শহরে ডায়াগনস্টিকের ব্যবসা করেন! আমাদের মত অসহায় রোগীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলেন, আপনাদের ওলের বিঁচি কেটে হাতে ধরিয়ে দেওয়া উচিত। গত পরশুদিন আমি ভোলা সদরের দুটি স্বনামধন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কিছু প্যাথলজি টেস্ট করেছি। প্রথম টেস্ট করেছি আমি সকাল ১১ টার দিকে, টেস্টের রেজাল্ট মনোপুত না হওয়ায় দ্বিতীয় টেস্ট করেছি বিকাল ৫ টার দিকে। দুটো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টেস্টে শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখায় আমি দ্রুত ঢাকা চলে আসি এবং আজকে কিডনি ফাউন্ডেশন এর সেইম টেস্ট করাই। কিডনি ফাউন্ডেশন একটি ইন্টারন্যাশনাল মানের স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান, যেখানে প্রতিদিন কয়েকশো রোগীর ডায়ালাইসিস, কিডনি প্রতিস্থাপন থেকে শুরু করে অনেক রকমের চিকিৎসা দেয়া হয়। অথচ ভোলায় দুটি স্বনামধন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্টের সাথে কিডনি ফাউন্ডেশন টেস্টের ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়। গত '২৪ সালে এরকম একটি সমস্যা হয়েছিল আমার ভোলা সদর রোডের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আমার ক্রিয়েটিনিনি (কিডনি পয়েন্ট) লেভেল থেকেও বিপদসীমার উপরে রেজাল্ট আসে! আমি টেনশনের মধ্য দিয়ে অনেক ঝড় ঝাপটার মধ্য ঢাকা চলে আসি, কিন্তু ঢাকা পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ধানমন্ডিতে আমার টেস্টের রেজাল্ট এর মান ঠিক আসে। তাহলে আমাদেরকে ভোলায় কেনোই বা চিকিৎসার এত হয়রানি করা হচ্ছে! ভোলায় চিকিৎসার নামেই কি শুধু সিজার, আর সদর হাসপাতালে স্যালাইন নিয়ে ভর্তি হয়ে শুয়ে থাকা! যতদিন না মাননীয় সংসদ সদস্যগণ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা না নিবে ; ততদিন ভোলায় চিকিৎসার মান কখনো উন্নত হবে না।