
ভোলায় নিজের বিরুদ্ধে আয়োজিত মানববন্ধনকে “মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন বলগেট সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী চকেট জামাল।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘ ৮ থেকে ৯ বছর ধরে তিনি বলগেট মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। জাহাজের পাইলটদের নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা বিভিন্ন দুর্গম ও অজানা এলাকায় কাজ করে থাকেন এবং এর বিনিময়ে যে পারিশ্রমিক পান, তা দিয়ে তাদের পরিবার-পরিজনের জীবিকা নির্বাহ হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি বিল্লাল, শাহাবুদ্দিন ও মিঠুসহ কয়েকজন ব্যক্তি একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মদদে শ্রমিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। শ্রমিক ফেডারেশনের একটি কাগজ নিয়ে তারা তার কাছে এলে তিনি শ্রমিকদের স্বার্থে একটি অফিস পরিচালনা এবং শ্রমিকদের কাছ থেকে মাসিক ৩০০ টাকা করে সংগঠন পরিচালনার জন্য গ্রহণের পরামর্শ দেন।
চকেট জামালের দাবি, ওই ব্যক্তিরা পরে শ্রমিকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন। কিন্তু শ্রমিকরা অতিরিক্ত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে এবং মানববন্ধনের আয়োজন করে তার সামাজিক মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালায়।
তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত চাঁদাবাজিসহ অন্যান্য অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল এবং শ্রমিকদের জীবিকা নিয়ে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ভোলা জেলা পুলিশ, নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সমন্বয়ে বিষয়টির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। পাশাপাশি প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, “সত্য উদঘাটনের স্বার্থে আমি যেকোনো তদন্তে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।”