ইনি একজন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। নাম কাবেরী করিম। ওই স্কুলেরই তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বিসমাহ জান্নাত ঐশ্বর্য স্কুলের অ্যাসেম্বলি চলাকালে সে এক সহপাঠীর সঙ্গে কথা বলছিলো। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রধান শিক্ষিকা কাবেরী করিম তাকে শাসন করেন এবং গালে একটি চ/ ড় মারেন।
মেয়ের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন বাবা সামসউর রহমান শুভ। তিনি স্কুলে গিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ শুরু করেন।
একপর্যায়ে তিনি প্রধান শিক্ষকের অফিসকক্ষে ঢুকে চেয়ারে বসা অবস্থায় কাবেরী করিমকে আচমকা চ/ ড়-থা/ প্প/ ড় মারতে থাকেন। এ সময় উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মচারী তাকে টেনে কক্ষের বাইরে নিয়ে যান।
ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষিকা কাবেরী করিম বলেন,
"আমি একজন শিক্ষক। আদরের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের শাসনও করতে হয়। সে কারণেই একটি চ/ ড় দিয়েছিলাম। কিন্তু একজন অভিভাবক আমার অফিসকক্ষে ঢুকে আমার গা/ য়ে হা/ ত তুলবেন, তা কখনো কল্পনাও করিনি। এই ঘটনার পর আমি বিদ্যালয়ে যেতে নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি এবং আবারও হা/ ম/ লার আশঙ্কা করছি"
ভাই! শিক্ষকের শাসনের পদ্ধতি নিয়ে যদি কোনো অভিভাবকের দ্বিমত বা অভিযোগ থাকে, তবে তা সমাধানের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি পথ খোলা ছিলো।
কিন্তু প্রকাশ্য দিবালোকে একজন প্রধান শিক্ষিকাকে কর্মক্ষেত্রে ঢুকে লাঞ্ছিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই উগ্র আচরণ শুধু একজন শিক্ষককে অপমান করেনি, বরং বিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ এবং অন্য শিক্ষার্থীদের মনেও এক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে