শয়তান বধ ; শয়তান শিকারসবকিছুই রুটিন ওয়ার্ক!!

শয়তান বধ ; শয়তান শিকারসবকিছুই রুটিন ওয়ার্ক!!

যৌথ বাহিনীর চলমান অভিযানের ‘নাম না দেয়ায়’ তারা চুপচাপ ছিলেন। এবার পেয়েছেন অভিযানিক নাম- অপারেশন ডেভিল হান্ট। তবে তাদের সামর্থ্যের সুবিধা মিলবে কি? মনে হয় না।

কারণ, দেশবাসীর নির্ভরশীলতা, বিশ্বাসে আস্থা পায় না কোনো বাহিনী। নিজেদের স্বার্থ বিরোধী কিছু ঘটলেই বিভিন্ন মহল উল্টে যায়। বদলে ফেলে সহনশীলতা, পাল্টে যায় রূপ। মুহূর্তেই বাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধে দল প্রীতির অভিযোগ তুলে বিতর্কিত করতে দ্বিধা করে না কেউ।

আমরা হয়তো ভয়ংকর অভিযোগ তুলে দায় চাপিয়েই খালাস হয়ে যাই। কিন্তু বাহিনী প্রধানদের তো আন্তর্জাতিক বিধি-বিধান, সভ্যতা প্রতিপালন সহ শান্তিরক্ষা মিশনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হয়, থাকে সরকারি নীতি ও চাকুরি বিধির বাধ্য বাধকতা।

সবদিক বিবেচনায় শক্তি প্রয়োগের বাড়তি দায়িত্ব পালনকে ঝুঁকি বলেই মনে করেন তারা। ফলে নিজের মতো করে স্বতন্ত্র ভালবাসায় দেশপ্রেমেরও উপায় নেই। বিধিবদ্ধ সীমিত কর্তব্য কাজেই আবদ্ধ থাকেন সবাই।

নিকট অতীতেও এখনকার মতো বিতর্ক সৃষ্টি, গুজব গজবের ঘৃণ্য কাজ কারবার ছিল না। যাকে তাকে মনগড়া ট্যাগ লাগানোর প্রচলনও ছিল না। মানুষ যত আধুনিক হচ্ছে ততই ঠুনকো হচ্ছে আস্থা, বিশ্বাস, নির্ভরশীলতা। যেখানে কেউ কারো দায়িত্ব নিচ্ছে না, সেখানে জাতির দায়িত্ব কেন বাহিনী নিবে?

এ কারণে অপারেশন ডেভিল হান্ট হোক, আর শয়তান বধ হোক – কোন কিছুই আলাদা বিশেষত্ব বহন করে না। সবকিছুই বিধিবদ্ধ রুটিন ওয়ার্কে পরিণত হতে বাধ্য। আফসোস! জাতির ললাটে দুর্ভাগ্যের কালিমা, শেষ যেন হতেই চায় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *