মোঃ সজিব খান,স্থায়ী ঠিকানা ভোলা জেলা,দৌলতখান থানা আওতাধীন উত্তর জনগর ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ড। সদস্য সচিব,কলাবাগান

থানা,ঢাকা। সকল হামলা-মামলা ও জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েও দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরের ও বেশি তারেক জিয়ার আদর্শ ধারণ করে,দলকে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া যায়, সেই চিন্তা চেতনা নিয়ে,আমরণ লড়াই করে আসছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের এই নেতা। সজিব খানের, সহযোগীরা বলেন-আওয়ামী লীগ আমলে ঢাকা কলাবাগান,তার বাসায় আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা ১৩ বারের ও বেশি হামলা করেছে এবং ১৭ বার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে, দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরে ২৬ টির অধিক,মিথ্যা গায়েবী মামলা, দেওয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার,বারবার কারাবন্দী ছিলেন। জেল জুলুম এত হামলা,মিথ্যা মামলা,জর্জরিত থাকা সত্ত্বেও তবুও আন্দোলন সংগ্রাম থেকে তাকে এক চুলও পেছনে হঠাতে পারেনি। বিএনপির কর্মসূচি সফল করতে গিয়ে তিনি সহ তার সহযোগীরা ৩২ বারের অধিক হামলার সম্মুখিন হয়েছেন। তবুও কর্মসূচি পালন থেকে একটি বারের জন্য পিছু হয়নি,এই স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোঃ সজিব খান। তার সহযোগীরা আরো বলেন, তিনি দলের জন্য যেই ত্যাগ স্বীকার করেছেন,জানিনা দল তার এই ত্যাগের মূল্য কতটুকু করবে,তার আরেক সহযোগী বলেন আমরা মনে করি, তার রক্তের সাথে মিশে আছে বিএনপি ও শহীদ জিয়ার আদর্শ। তাই জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও তারেক জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে আমরণ চেষ্টা করে যাবেন। ঢাকা কলাবাগান থানার সদস্য সচিব স্বেচ্ছাসেবক দলের দুঃসময়ের সবচেয়ে ত্যাগী নেতা মোঃ সজিব খান বলেন,দলের দুঃসময়ে দলের একজন সাধারণ কর্মী সুসময়ের ১ লক্ষ্য কর্মীর সমান। যেসব কর্মীরা পাশে ছিলেন তিনি বিশ্বাস করেন,দল তাদের মূল্যায়ন করবেন। আর যারা আওয়ামী দুঃশাসনের সময় মামলা হামলার শিকার হয়ে নিজের বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেরিয়েছে, জেল-জুলুম নির্যাতন সহ্য করে বিএনপিকে ছাড়েনি দল তাদেরকে অবশ্যই মূল্যায়ন করবে। বিএনপি অনেক বড় দল তাই আমরা সবাইকে নিয়ে এই দেশটাকে গড়তে চাই। উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেয় খুনি শেখ হাসিনা। এতে সারা দেশে রাজনীতির সুদিন ফিরেছে। দীর্ঘ দিন ক্ষমতার বাহিরে থাকা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এখন রাজপথে সরব হয়ে উঠেছে। দলীয় যেকোন কর্মসূচিতে ত্যাগীদের পাশাপাশি এখন দেখা যাচ্ছে নিস্ক্রিয়, সুবিধাবাদী ও নতুন শতশত মুখ। অথচ দলের দুর্দিনে কিছু সংখ্যক,নেতা-কর্মীদের নিয়ে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হয়েছে। তারাই বিভিন্ন মামলা হামলার শিকার হয়েছে। তিনি আরো বলেন,আমরা দুর্দিনে,দীর্ঘ দিন আমাদের নেতাকর্মীরা অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। ত্যাগীদের মূল্যায়ন দল অবশ্যই করবে, দলের বিপদের দিনে যারা পাশে ছিল দলের জন্য যাদের ত্যাগ রয়েছে তারা অবশ্যই মূল্যয়ন পাবে বলে মন্তব্য করেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের এই নেতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *