মাদক কারবারিদের যমদূত ওসি নাজনীন সুলতানা ও এসআই ফারুক হোসেন এক বছরে রেকর্ড সাফল্য
আমিরজাদা চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সীমান্তঘেঁষা কসবা থানার শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা পেয়েছেন নাজনীন সুলতানার নেতৃত্বে কসবা উপজেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন।
একজন বিচক্ষণ পুলিশ অফিসার হিসেবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এসআই ফারুক হোসেন কসবা থানার জন্য এক আশীর্বাদ।
মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থানে মাদক পাচারকারীদের জন্য যেমন এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। তেমনি সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির বার্তা।
উর্দি ও মানবিকতার মেলবন্ধন কেবল মাঠপর্যায়ের কঠোর পুলিশিং নয়, এসআই ফারুকের মানবিক সত্তাও স্থানীয়দের মুগ্ধ করেছেন।
পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি কসবা উপজেলার অন্তত ২-৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনার খরচ ব্যক্তিগতভাবে নিজ সাধ্যমতো বহন করেন বলে জানা যায়।
একজন পুলিশ অফিসারের এই সমাজ সংস্কারক রূপটি সাধারণ মানুষের সাথে পুলিশের দূরত্ব কমিয়ে এনেছে।
কসবার সচেতন সমাজের বক্তব্য
স্থানীয় সামাজিক সংগঠন সিটিএল এর সাধারন সম্পাদক ও সম্ভাব্য পৌর মেয়র পদপ্রার্থী মো. সজীব বলেন,
সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায়, আমাদের কসবায় মাদকের বিস্তার ও সহজলভ্যতা বহুলাংশেই বেশি, আমরা যুবকদের মাঝে বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানও সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করছি আর এইদিকে এস.আই ফারুক হোসেন এর মতো চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন।
সর্বোপারি দুইটি ভিন্ন জায়গা হলেও আমাদের সকলের মোটিভ প্রায় একই। নানান চাপ,চক্রান্ত, ষড়যন্ত্রের ঊর্ধ্বে গিয়ে এস আই ফারুক হোসেনের এই সাহসিকতা ও অক্লান্ত পরিশ্রম আমাদের এই আসনের সংসদ সদস্য জনাব মুশফিকুর রহমানের মাদক বিরোধী যুদ্ধ ও জিরো টলারেন্স নীতি কে আরো অগ্রসর করবে বলে আমারা বিশ্বাস করি।
এসআই ফারুক হোসেন বলেন বিভিন্ন দুঃসাহসিক অভিযানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
মাদক বিরোধী অভিযানের ক্ষেত্রে, মাদক আটক মামলা রুজু হওয়া পর্যন্ত সবটাই বিরাট চ্যালেঞ্জ।
মাদক-কারবারিরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল পাল্টায়। আমরা পুলিশরাও জীবনের ঝুকি নিয়ে মাদক নির্মূলে কাজ করে থাকি। অনেক সময় অদৃশ্য শক্তির চাপকে মোকাবিলা করতে হয়। আমার অনুভূতি মাদকের কড়াল গ্রাস থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে হবে।
আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জেলা পুলিশ সুপার ও থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশ মোতাবেক মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে নির্দেশ মতো বিশ্বাসের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।
যুব সমাজ কে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষাকরতে পারাটা আমার কর্মজীবন সার্থক হবে ।
মাদকমুক্ত দেশ গড়াই আমার মূল উদ্দেশ্য।