অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর!!
বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিব বাহিনীর প্রধান, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক তোফায়েল আহমেদের বাল্যবন্ধু মাধ্যমে জানতে পারি যে গত ১৭/১৮ বছর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যতবারই ভোলা সফর করেছেন ততবারই তোফায়েল আহমেদের বাসভবনে অতিথি আপ্যায়ন গ্রহণ করেছেন। তোফায়েল আহমেদ তার কেয়ারটেকার তার বাসায় বলে দিতেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যেন ওবায়দুল কাদেরের মত সম্মান পান। ওবায়দুল কাদের যদি তোফায়েল আহমেদের বাসায় যেতেন যে সম্মান পেতেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও যেন সেই একই সম্মান পান এবং জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপার সবাইকে বলে দিতেন যেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সেই প্রটোকল প্রদান করা হয়। ইতিহাস সেই সাক্ষী দেয়।।
আজকে আমরা কি দেখলাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ মন্ত্রী বিএনপির সেকেন্ড ইন কমান্ড তিনি চাইলেই তোফায়েল আহমেদের জানাজা শহীদ মিনারে করাতে পারতেন জাতীয় সংসদ ভবনে শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করতে পারতেন কিন্তু সেই শিষ্টাচার বিএনপির রাজনীতিতে নেই! ধানমন্ডির একটি মসজিদে জানাজার নামাজে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে জানাজার নায়াজে অংশগ্রহণ করার কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে! রাতে ভোলা বিএনপি অফিসে ভোলা যুবদলের এক মিটিংয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা উনসত্তরের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের নায়ক মুজিব বাহিনীর প্রধানের জানাজায় হা-মলার হু-মকি দিয়ে বক্তব্য রাখা হচ্ছে! এই হলো বিএনপির রাজনীতি।
সাদেক হোসেন খোকা, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ সহ অসংখ্য বিএনপি সিনিয়র নেতাদের জানাজার নামাজ আওয়ামী লীগ সরকার সংসদ ভবনে এবং শহীদ মিনারে নির্বিঘ্নে করতে দিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগ এর কেন্দ্রীয় নেতারাও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন । আওয়ামী লীগ বিএনপির মধ্যে তপাৎ দেখো হে বাংলার মানুষ। মৃত্যুর পর মানুষটিকে দলের বাহিরে রেখে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রাখতে পারলেনা। দেশদ্রো-হী রাজাকার সাঈদি, সাকা চৌধুরীদের জানাজায় ও আওয়ামী লীগ বাঁধা দেয়নি অথচ আজ তোমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতার নায়কদের জানাজায় বাঁধা দিয়ে ইতিহাসের চরম বিষাদ লিখছো…..
🗣️ রায়হান হাবীব খাঁন শাকিল