ময়মনসিংহের ৩৬ বাড়ী কলোনীতে রুবেল হত্যাকাণ্ড: তদন্তে যা উঠে এসেছে।
মাদক বেচাকেনা ও সেবনের ফলে অপরাধ তৎপরতা?
ময়মনসিংহের ৩৬ বাড়ী কলোনীতে রুবেল হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে ধর্ষণের গল্প সাজিয়ে আসামিদের প্রতি জনসাধারণের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সূত্রপাত হয় মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ রয়েছে, এ কারণে ভাড়াটিয়া রুবেলকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন বাড়ির মালিক পারুল। এ নিয়ে একপর্যায়ে রুবেল ও পারুলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা এবং ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
এ সময় পারুলের ছেলে জনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি তার তিন ভাইকে জানান যে, রুবেল তাদের মাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করছে। এরপর মাদক ব্যবসা নিয়ে পূর্বের বিরোধ এবং মাকে মারধরের প্রতিশোধের জেরে চার ভাই মিলে রুবেলের ওপর চাইনিজ কুড়াল দিয়ে হামলা চালায়। এতে রুবেলের মৃত্যু হয় এবং ঘটনার পর তারা পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চার ভাইকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে মামলার তদন্ত এখনও চলমান এবং ঘটনার চূড়ান্ত সত্য আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।