৬০ লক্ষ টাকা নিয়ে বেগে গেল প্রবাসী বউ। ভুক্তভোগী বাপ্পি জানান, ১০ বছর প্রবাসে থেকে পরিবারের জন্য

0
FB_IMG_1777016714757

নিরলস পরিশ্রম করে টাকা পাঠালেও আজ সেই টাকার কোনো সঠিক হিসাব তার কাছে নেই। তিনি বলেন, বেশি পড়াশোনা জানেন না, কিন্তু কঠোর পরিশ্রমে উপার্জন করেছেন। শুধু গত দুই মাসেই স্ত্রী তানিয়া আক্তারের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩২ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা এবং জমি কেনার জন্য আলাদাভাবে আরও ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা পাঠান।

বাপ্পির মা জানান, আমার পুত্রবধূ তানিয়াকে নিজের মেয়ের মতো ভালবাসতেন এবং বাপ্পির উপার্জনের টাকায় তার পড়াশোনার ব্যবস্থাও করেন। কিন্তু সময়ের সাথে তানিয়ার আচরণ বদলে যায় এবং সে একাধিক পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। আগেও দুইবার ধরা পড়ে জরিমানা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।

তবুও বাপ্পি তার স্ত্রীকে অগাধ বিশ্বাস করতেন। তিনি তানিয়ার নামে জমি কিনে দেন এবং নিজের উপার্জনের বেশিরভাগ সম্পদ তার নামে করে দেন।২০২৩ সালে প্রথম পরকীয়ার বিষয় জানার পরও শ্বশুরবাড়ির অনুরোধে তাকে ক্ষমা করে দ্বিতীয় সুযোগ দেন। পরে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় স্ত্রীকে রেখে আবার বিদেশে যান এবং সেখান থেকেও বিপুল অর্থ পাঠান।
কিন্তু সেই বিশ্বাসের প্রতিদান হিসেবে তানিয়া তাকে ডিভোর্স পেপার পাঠিয়ে দেন। পরিবারসহ বাপ্পির টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ করে পালিয়ে যান স্ত্রী।ফলে বাপ্পি আজ নিঃস্ব ও দিশেহারা। ঘটনাটি ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলায় ঘটেছে। যেখানে একজন প্রবাসী তার কঠোর পরিশ্রমের উপার্জন ও সবচেয়ে বড় সম্পদ ‘বিশ্বাস’ দুটোই হারিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *