বোরহানউদ্দিন শাহবাজপুর প্রেসক্লাব এর সাধারণ

0
FB_IMG_1781158153203

সম্পাদক আবদুল মালেক এর ছোট ভাই এবং ভোলা সরকারি কলেজের ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মোঃ মামুন এর উপর হত্যার উদ্দেশ্য বুধবার সন্ধ্যায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ৪নং ওয়ার্ডের মোঃ রুহুল আমিন এর ছেলে মোঃ শামিম বাড়ই নামের এক যুবক দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় পিছন থেকে মাথায় কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আহত মামুন বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , ৩/৪ বছর পূর্বে এই হামলাকারী শামীম এর প্রেম ঘটিত ঘটনায় জনৈক মেয়ের ভাই মোঃ শামিম নামের এক ছেলে বোনের সাথে কথা বলার কারণে কিলঘুসি মারে। ওই সময় কলেজ ছাত্র মোঃ মামুন ঘটনা শুনে গিয়ে দেখে মেয়ের ভাই শামীম এই হামলাকারী ছেলে কে থাপ্পর মেরেছে। এরপর ওই সময় স্থানীয়রা ওই ঘটনার মিমাংসা করে দেন। এই হামলাকারী ছেলে শামীম বিদেশ থেকে ৩/৪ বছর পর দেশে এসে ওই মেয়ের ভাই শামীম বর্তমানে বিদেশে থাকার কারণে একই বাড়ির ছেলে ভোলা সরকারি কলেজের মেধাবী ছাত্র মামুন কে হত্যার উদ্দেশ্য পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে রাতের আধারে পিছনে থেকে কুপিয়ে জখম করেন। এদিকে এই হামলাকারী পরিবার নিজেদের বাচাঁতে এই ঘটনা কে রাজনৈতিক মারামারি ঘটনা হিসাবে উপস্থাপন করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। মহান আল্লাহ স্বাক্ষী রয়েছে যেই পরিবার নিজেদের অন্যায় ঢাকতে একটা কলেজ পড়ুয়া ছেলেকে মেরে আবার রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চায় ছি…..ধিক্কার। লজ্জা হয় এই সমাজ ব্যবস্থা কে নিয়ে এক সত্য কে ডাকতে আর কত মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। একজন মেধাবী ছাত্র যখন তার ন্যায্য বিচার থেকে বঞ্চিত হয় এ দায় এই সমাজ এবং দেশের সুশীল সমাজের রয়েছে। একজন মেধাবী ছাত্র কে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করে হামলা করে হামলাকারী পরিবার মিথ্যার উপর ঠিকে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আর একদল প্রকৃত ঘটনা না যেনে একপক্ষের কথাশুনে রাজনৈতিক ফায়দায় এই ঘটনা থেকে বাচাঁতে মরিয়া। মেধাবী ছাত্র মামুনের পরিবারের দাবি একটা সত্য কে ডাকতে প্রকৃত ঘটনা কে আড়াল করে যারা অসংখ্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে আগে এই হামলার বিচারের চেয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এই মিথ্যা কথা রটানোর এরও কঠিন বিচার হওয়া উচিত। বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সাহেব এবং স্থানীয় এমপি মহোদয়ের হস্তক্ষেপে এই ঘটনার নিরপেক্ষ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *